সুতাং নদী রক্ষণাবেক্ষণে প্রশাসনের পদক্ষেপ গ্রহনের প্রত্যাশা

Spread the love

আব্দুল জাহির মিয়া; হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

হবিগঞ্জের সুতাং নদী রক্ষণাবেক্ষণে স্থানীয় প্রশাসনের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের প্রত্যাশা করছে স্থানীয় বাসিন্দারা।

সুতাং নদী ভারত থেকে উৎপন্ন হয়ে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদী হবিগঞ্জ সদর, লাখাই এবং চুনারুঘাট উপজেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুশিয়ারা নদীতে পতিত হয়েছে।

এ নদী এলাকাবাসীর যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছিল। বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমে নৌ-চলাচল না করলেও বর্ষা মৌসুমে নৌকা ও ট্রলার চলাচল করে থাকে।

বোরো মৌসুমে এ নদীর পানি ব্যবহার করে কৃষিকাজ সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। সনাতন ধর্মের লোকজন এক সময় এ নদীতে পুণ্যস্নান করতেন। প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হতো বেলেশ্বরী বান্নী। দেশের অন্য নদীর মতো এ নদীর অবস্থাও সংকটাপন্ন। দখল, দূষণ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনসহ নদীবিরুদ্ধ বহুমুখী ব্যবহারে এ নদীর অস্তিত্ব আজ সংকটাপন্ন।

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ওলিপুরে স্থানে গড়ে ওঠা শিল্প-কারখানার বর্জ্যে দূষিত হচ্ছে সুতাং নদী। অব্যাহত শিল্পবর্জ্যের দূষণে নদীটির পানি কালো বর্ণ ধারণ করেছে, পানি থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, কষ্টকর হয়ে পড়েছে নদীর পাড় দিয়ে চলাচল এবং দূষণের কারণে মৎস্যশূন্য হয়ে পড়েছে নদীটি।

বিশেষ করে আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের দির্ঘ অংশের সুতাং নদী এখন মরা খালে রূপান্তরিত হয়েছে।

দেশে প্রচলিত আইন অনুযায়ী এই নদী দখল ও দূষণমুক্ত রেখে যথাযথ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, ভুক্তভোগীরা এটাই প্রত্যাশা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *